বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ১০ নং আলিমাবাদ ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ইউনিয়নের মাঝকাজী খেয়াঘাট এলাকার সরকারি গুদামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুরুতে প্রতি বস্তায় ২৭ কেজি ৭০০ গ্রাম করে চাল দেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে কার্ডধারী ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হলে তারা আপত্তি জানান। পরে চেয়ারম্যান পুনরায় চাল মেপে প্রতি কার্ডে ২৯ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।
জানা গেছে, ইউনিয়নের জন্য মোট ২২৩টি ভিজিডি কার্ডের বিপরীতে চাল বরাদ্দ ছিল এবং সেই অনুযায়ী চাল সরবরাহ করা হয়েছে। চাল কম থাকার বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাপ্পি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিয়াজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সাথে সমঝোতা করে। পরবর্তীতে তার নির্দেশনা অনুযায়ী সমন্বয় করে ২৯ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান।
এছাড়া, প্রতি কার্ডধারীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে সরকারি ভ্যাট/ট্যাক্স বাবদ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান দাবি করেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বছরে একবার এই টাকা নেওয়া হয় এবং প্রত্যেককে রসিদ প্রদান করা হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিজিডি কার্ড তৈরি করতেও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকা নিয়েও কার্ড না দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অনেকে এমন দাবি করছেন যে তার নামে ভিজিটিং কার্ড হয়েছে কিন্তু সেই ভিজিডি কার্ডের চাল তিনি পায় না। জনপ্রতিনিধিরা অন্য ব্যক্তির মাধ্যমে তুলে নিচ্ছেন।
চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাপ্পি বলেন, “ইউনিয়নের ২২৩টি কার্ডধারীর মধ্যে সমানভাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে, এখানে কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই
