
কৃত্রিম পায়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আকুতী মাদরাসা ছাত্র শিশু হাসানের।
নাম মোঃ হাসান, বয়স ১০ বছর, বাবা বিল্লাল হোসেন, গ্রাম পালপাড়া, আলীগঞ্জ বাজার এলাকা, হিজলা। মাদরাসায় পড়াশুনা করাকালীন সময়ে হঠাৎ শরীরে বিষ এসে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে হারিয়েছেন দুই পা ও দুই হাতের আংশিক অংশ । কিন্তু টাকার অভাবে সঠিক চিকিৎসা করতে পারছেন না হাসানের গরিব বাবা।
অন্যের সাহায্য ছাড়া হাঁটা-চলায় অক্ষম শিশু হাসান। তাই সমাজের বিত্তশালীদের কাছে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। হাসানের বাবা বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অতি দ্রুত হাসানের দুটি কৃত্রিম পা সংযোজন করতে হবে।
কিন্তু কৃত্রিম পা সংযোজন খুবই ব্যয়বহুল। টাকার অভাবে এটি তো অসম্ভবই বরং চলমান চিকিৎসাও বন্ধ রয়েছে। পরিবারকে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য আকুল আকুতি জানিয়ে হাসানের বাবা বিল্লাল বলেন, আমি ছাড়া আমার সংসারে আর কোন উপার্জনক্ষম মানুষ নেই।
আমার স্ত্রী এবং দুটি সন্তান রয়েছে তার মধ্যে হাসানই সবার বড়। টাকার অভাবে তাদের পড়ালেখাও বন্ধ হয়ে গেছে। এতদিন আমি ও আমার স্ত্রী গার্মেন্টস করে চিকিৎসার সামান্য খরচ চালিয়ে যাচ্ছি।
তাই আমি ও আমার স্ত্রী আমাদের প্রিয় বড় সন্তান হাসানের চলাচলে দুটি কৃত্রিম পায়ের জন্য সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি।