সিয়াম বিশ্বাস, মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি
জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটি ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান মাসে ফিতরার হার নির্ধারণ করেছে। রমজানে বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর (২০২৫)ও সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির—যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ অথবা এর বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন।
গম ও আটার ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) পরিমাণে সাদকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে। এসব পণ্যের বাজারমূল্য হিসাব করেই সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক জানান, উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা এর বাজারমূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে) ফিতরা হিসেবে প্রদান করা যাবে। যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) বা এর বাজারমূল্য ৫৯৫ টাকা (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে) ফিতরা দিতে হবে।
এছাড়া প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিস বা এর বাজারমূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা ধরে) এবং পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে) দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হবে বলে কমিটির সভাপতি জানান।