বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের কালিরহাট থানার, একতা ডিগ্রি কলেজ-সংলগ্ন লোহার সেতুটি ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই সেতুতে বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা কাঠ-বাঁশের জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে চলাচল করছেন। তবে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লতা ও আন্ধারমানিক ইউনিয়নের অন্তত সাত গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান, প্রায় ১২ বছর আগে লতা খালের ওপর লোহার সেতুটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের অল্পদিনের মধ্যেই খুঁটি দেবে সেতুটি নিচু হয়ে যায়। পরবর্তীতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হলে অটোরিকশা ও ভ্যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
একতা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করেন। শিক্ষার্থীরা হেঁটে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন, পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।”
লতা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হলেও একটি নতুন ঢালাই সেতু নির্মাণে প্রয়োজন দেড় থেকে দুই কোটি টাকা। ইতোমধ্যে প্রস্তাব উপজেলা পরিষদে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে নতুন ঢালাই সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।